ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (EVM)এর কিছু অজানা তথ্য।

বর্তমানে ভারতবর্ষে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ইভিএম এর সাহায্যে ভোট গ্রহণ এবং গণনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।ভারতের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড প্রথম ১৯৮০ সালের এই ইভিএম মেশিন প্রস্তুত করে ছিল।পরবর্তীকালে ভোট গ্রহণ পদ্ধতি আরো সুরক্ষিত করার স্বার্থে নির্বাচন কমিশন বহুবার এই মেশিন আপডেট করেছেন।আগে ভারতবর্ষে ব্যালট পেপার মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হতো। তবে এই ব্যবস্থায় প্রচুর পরিমাণে রেগিং হত।তবে ইলেকট্রনিক্স মেশিন ব্যবহারের দরুন এখন সুরক্ষিত হয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়া।

এই ইভিএম মেশিন ভাঙ্গা একপ্রকার প্রায় অসম্ভব। এবং সঠিকভাবে নির্বাচন পদ্ধতি হওয়ার জন্য এটিতে  আছে একগুচ্ছ সুরক্ষা প্রণালী।সাধারণ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের দুটি অংশে থাকে।দুটি অংশের একটি অপরটির সঙ্গে পাঁচ মিটার একটি কেবিল এর সাহায্যে যুক্ত করা থাকে।এই দুটি অংশের মধ্য কন্ট্রোল ইউনিট থাকে পুলিং অফিসারের কাছে এবং অন্যদিকে থাকে অপর ইউনিটির সাধারণ মানুষের ভোট প্রদানের জন্য।প্রতিবারে ভোট প্রদানের আগে পোলিং অফিসার কন্ট্রোল ইউনিট থেকে বাটন টিপে একটিভেট করলে তবে অপর দিক থেকে ভোট প্রদান করতে পারবে সাধারণ মানুষ।

তবে এবারে অর্থ 2019 সালের লোকসভা নির্বাচন পদ্ধতি VVPATE  ইভিএম দ্বারা সম্পন্ন হয়েছে।এটা হল ভোটার ভেরিফাইড পেপার অডিটর ট্রল ইভিএম।অর্থাৎ এতে ব্যালেন্স বক্স এবং ইভিএম এর সাথে আরও একটি মেশিন সংযোগ করা থাকে।যার দ্বারা আপনার দেওয়া ভোটের প্রার্থী কে দেখতে পাবেন।আপনি যে রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন তার ছোট্ট একটি সাদা পেপারে প্রিন্ট হয়ে বসে থেকে যাবে।এবং আপনার ভোট প্রদানের পর 7 সেকেন্ড মেশিন এর একটি কাচ লাগানো অংশ থেকে দেখা যাবে।সাধারণ মানুষের ভোট দেওয়ার সঠিক জায়গায় গেল কিনা তা দেখার জন্যই এই ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশনের।

এই মেশিন ব্যবহারের ফলে ভোট গ্রহণ পদ্ধতি আগের তুলনায় দ্রুত হয়েছে।এবং এতে মানিপুলেশন করা সম্ভব নয়।এবং এই মেশিন সুরক্ষিত বেশি।1 মিনিটে 5 জনের বেশি ভোট দিতে পারবে না,এবং একটি মেশিনের দুই হাজারের বেশি ভোট গ্রহণ করা যাবে না।ভোট গ্রহণের সময় যদি কোন ইভিএম মেশিন খারাপ হয়ে যায় তাহলে তা পরিবর্তন করতে হবে,এবং খারাপ হয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত সমস্ত ভোট সুরক্ষিত থাকবে।

[যদি প্রতিবেদনটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার কমেন্ট ও লাইক করতে ভুলবেন না।]

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *