দেশপ্রেমেরে এক অদ্ভুদ গাঁথা জন্মে সাথে এবং মৃত্যুর পরে

বাবা হরভজন সিং ছিলেন একজন “ইন্ডিয়ান আর্মি” কিন্তু তিনি এখনও হিরো অফ নাথুলা হিসেব বিখ্যাত। একজন সৈনিক যিনি নিজের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত রক্ষা করেছেন আমাদের দেশকে।

কিন্তু তার এই দেশভক্তির নিদর্শনের কোনো সিমারেখা নেই আর সেই কারনেই তিনি এত বিখ্যাত।তিনি তাঁর দ্বায়িত্ব পালন করে চলেছেন অনবরত এমনকি তাঁর মৃত্যুর পরেও।

তিনি জন্মেছিলেন ৩’রা অগাস্ট ১৯৪১ সালে পাঞ্জাবের একটি ছোট গ্রামে। ১৯৫৬ সালে তিনি ভারতীয় সৈনবাহিনীতে যোগ দেন। তিনি মোট ১৪ টি রাজপুত রেজিমেন্টের সাথে কাজ করেছেন। কিন্তু ১৯৬৭ সালে তিনি একটি জলপ্রপাতে পরে যান জলের স্রতে। কিন্তু মনে করা হয় যে মৃত্যুর পরেও তিনি তাঁর সমসাময়িক সৈন দের বলেছেন তাঁর একটি সমাধিস্তল তৈরি করতে।

সেই অঞ্ছলের মানুষরা মনে করেন যে বাবা তাদের সবরকম রোগ-ব্যাধি এবং অন্যান্য বিপদ থেকে রক্ষা করেন।এমনকি ভারতীয় সৈনবাহিনিও এখন পর্যন্ত যেকোনো যুদ্ধ যাবার আগে বাবা থেকে আশীর্বাদ প্রার্থনা করে তাঁর পর যুদ্ধ এ যান। তারা এটাও মনে করেন যে যেকোনো শত্রুর আক্রমন ঘটার আগে তাঁর বার্তা পেয়ে যান। জনশ্রতি থেকেই যানা যায় যে  বাবা হরভজন সিং এখনও পর্যন্ত তাঁর ক্যাম্পে আসেন এবং তাঁর যথেস্ট প্রমানও তাঁর পেয়েছেন যেমন বাবার ব্যাবহার করা নিজস্ব জুতো,ইউনিফ্রম নাকি একা একাই পরিস্কার হয়ে যান। এমন ভাবে যেনো সেটা প্রত্যহ ব্যাবহার করে পরিস্কার করে রাখে। আবার অনেক সময় তাঁর কুচকে যাওয়া বিছানার চাদর এবং বুটে লেগে থাকা কাদা দেখে আন্দাজ করতে পারেন যে বাবা হরভজন সিং এখনও নিয়মিত তাঁর জিনিস গুল ব্যাবহার করেছলেছেন।

সত্যিই এমন দেশপ্রেমর গাঁথা বিদেশে অথবা এদেশে খুবই বিরল। দেশপ্রেমেরে এমন নিদর্শন পেয়ে আমাদের ইন্ডিয়ান আর্মির সৈনিকরা আজও অনুপ্রানিত হন। এইরকম দেশপ্রেমিকে আমরা “জয় হিন্দ” ছাড়া আর কোনও শব্দ  দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে পারিনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *