চাকরি VS ব্যবসা ??

বর্তমান পরিস্থিতিতে টিনএজ বা সদ্য পূর্ণ করা কলেজ পড়ুয়াদের অন্যতম চিন্তার কারণ হচ্ছে ক্যারিয়ার।আর ক্যারিয়ারে সফল হওয়া মানে অর্থনৈতিক দিক থেকে সফল হওয়া।এক্ষেত্রে একটা সবথেকে বড় দ্বন্দ্ব হচ্ছে তারা অর্থনৈতিকভাবে সফল হওয়ার জন্য কোন পথ বেছে নেবে চাকরি না ব্যবসা।আর অধিকাংশ মানুষ সঠিক সময়ে এই বড় সিদ্ধান্তটি নিতে পারে না বা যে সিদ্ধান্ত নেয় সেটা ভুল।যার ফলে অর্থনৈতিকভাবেও সে ভাবে সফল হতে পারে না।তাই একজন পড়ুয়া বা কর্মজীবী কিভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে?

প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যবসা না চাকরি কোন পথ বেছে নেবে তার জন্য নিজেকে নিজে যাচাই করতে হবে।ব্যবসা করতে গেলে একজন মানুষের মধ্যে যে চারিত্রিক ও মানসিক গুনা গুন থাকা দরকার সেগুলি নিজেকে যাচাই করে দেখতে হবে।যদি তা থাকে তাহলেই সে সফল ব্যবসায়ী হতে পারবে না হলে অগত্যা তাকে চাকরির পথ বেছে নিতে হবে।আর এই গুনাগুন আছে কিনা তাকে নিজেকেই বুঝতে হবে কারণ নিজে ছাড়া কোন দ্বিতীয় ব্যক্তির ক্ষেত্রে তা বোঝা প্রায় এক রকম অসম্ভব।
সুতরাং আমাদের জানতে হবে কোন গুনগুলো থাকলে আমরা ব্যবসার পথ বাঁচবো আর কোন গুনগুলো থাকলে আমরা চাকরির জীবন বেছে নেব।

ব্যবসা হলো একটি স্বাধীন ক্ষেত্র আর অর্থনৈতিক দিক থেকে ভাবলে এর কোন বেড়াজাল নেই।আপনি এক্ষেত্রে নিজেকে যত সফল করতে পারবেন অর্থনৈতিক দিক থেকে রোজগার ও ততো বাড়বে সুতরাং ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে আপনি চাকরি থেকে ব্যবসাকে আগে রাখতেই পারেন।তবে ব্যবসা করতে গেলে সফলভাবে ব্যবসা করার গুণাগুন গুলি আপনার আছে কিনা জানতে হবে।এক্ষেত্রে দেখতে হবে আপনি কতটা ফ্লেক্সাইবেল অর্থাৎ আপনার চিন্তা শক্তি কতটা প্রখর।মানে যে কোন ব্যবসা করতে গেলে আপনাকে মানুষের সমস্যা বুঝতে হবে আর সহজ উপায় সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে তাহলেই আপনি সফল ব্যবসায়ী।অর্থাৎ আপনি যাই ব্যবসা করেন না কেন সে ক্ষেত্রে কাস্টমারের জায়গায় দাঁড়িয়ে আপনাকে তার সমস্যা বুঝতে হবে আর সেই মতো তার সমাধান করতে হবে তাহলেই আপনার ব্যবসা সফল।অনেকের ধারণা ব্যবসা করতে গেলে প্রচুর টাকা লাগে প্রচুর ইনভেস্ট ছাড়া কোন ব্যবসা শুরু করা যায় না পূর্ণ অর্থ এটা সঠিক নয়।সঠিক ধারণা ও প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকলে আপনি অল্প ইনভেস্ট এর মধ্যেই ব্যবসা শুরু করতে পারে।যেমন ধরুন আপনি কোন অতি প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট মার্কেট এ আনতে চাইছেন আর তার প্রোডাকশন করতে গেলে আপনার ফ্যাক্টরি বানাতে হবে এবং সেটি প্রচুর ব্যয় সাধ্য।এক্ষেত্রে আপনি কি করবেন?

এ ক্ষেত্রে আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হল দেখতে হবে সেই প্রোডাক্ট মার্কেটে ভালো কোয়ালিটির কোথায় কোথায় তৈরি হচ্ছে।প্রথম প্রথম সেখানে কথা বলে চুক্তিভিত্তিক মালের অর্ডার দিয়ে আপনাকে বানাতে হবে আর অল্প ইনভেস্ট করে প্যাকেজিং ও লেভেলিং আপনার কোম্পানির করে মার্কেটে ছাড়তে হবে।এইভাবে খুব অল্প পয়সায় ইনভেস্ট করেই আপনার ব্যবসা শুরু করা যেতেই পারে।
আর আপনি যদি মনে করেন দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ কাজই আপনি করতে পারবেন, অধিক লোড নেওয়ার ক্ষমতা বা চিন্তা শক্তি আপনার নেই তাহলে চাকরি আপনার জন্য শ্রেষ্ঠ।

[এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এত অল্প পরিচ্ছদের মধ্যে পুরোটা প্রকাশ করা সম্ভব নয়,একই বিষয়ে যদি পরবর্তী প্রচ্ছদ জানতে আপনার আগ্রহী হন তাহলে নিচে কমেন্ট বক্সে জানান অতি শীঘ্রই তা প্রকাশ করা হবে]

    [যদি প্রতিবেদনটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার কমেন্ট ও লাইক করতে ভুলবেন না।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *