উচ্ছ -মাধ্যমিক বা মাধ্যমিক-এই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কী ভাবে গড়বে কম্পিউটার জগৎ-এ নিজের কোরিয়ার..

বর্তমান যুগে কম্পিউটার বা যে কোন স্মার্ট গেজেট ছাড়া জীবন প্রায় অচল। আর ডিজিটল ইন্ডিয়ার দৌলতে কম্পিউটার জ্ঞান ছাড়া কোন কিছু ভাবা যায় না। তবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ এড় জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তবে কোন স্টুডেন্ট-এর ক্ষেএে এটি কোন সমস্যা না। কারণ কম্পিউটার-এ যে জগৎ অনুযায়ী বা প্রয়োজন মত একাডেমিক কোয়ালিফিকেন্স গ্রহন করে টেকনিক্যাল ট্রেনিং নিয়ে সহযেই সেই জগৎ এ প্রবেশ করতে পারে। অর্থাৎ স্টুডেন্ট-দের কাছে সুযোগ আছে ক্যারিয়ার প্ল্যানিং করার ।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যারা মাধ্যমিক বা উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরে পড়াশুনার পর বিড়ত দিয়েছে বর্তমানে তাড়া কী করবে। চিন্তার কোন কারণ নেই, মাধ্যমিক বা উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরেও কম্পিউটারে কিছু প্রফেসণাল কোর্স এরও ট্রেনিং নিয়ে সহযেই নিজের কোরিয়ার গড়া যায়। আর এরম কিছু কম্পিউটার কোর্স নিয়েই নিম্নে আলচনা করা হল।

১. অফিস অ্যাপ্লিকেশন

সাধারণত অফিস অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার-এর একটি গুরুত্ত পূর্ন কোর্স। এটি মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক উভয় স্তরের ছাত্রছাত্রী করতে পারে। এই কোর্সটির মধ্যে সাধারণত M.S Word, M.S Excel, M.S Power point  ও Access এবং ইন্টার-নেট জ্ঞআন থাকে। এটা যদি কোন ব্যাক্তি ভালোভাবে রপ্ত করতে পারে তাহলে কোলকাতার বুকে যে কোন অফিসিয়ালে কাজ অনায়াসে যোটাতে পারবে। আর যার মাসমায়না খুব খারাপ না। তবে প্রবিক্ষন-এর ক্ষেত্রে কী কী সে-খাবে তা ভালোকরে যাচাই করেই তবেই প্রবিক্ষন নিতে হবে।

২. কম্পিউটার হার্ডওয়ার

বর্তমান যুগে প্রায় প্রতিটি অফিসও বাড়ি সবজায়গাতেই কম্পিউটার আছে। সুতরাং কম্পিউটার রিপেয়ারিং-এর একটা ভালো বাজার তৈরি হয়েছে। আর এই কোর্সটি মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক উভয় স্টুডেন্ট-এর যোগ্যতা সম্পূন্ন ক্যান্ডিডেট করতে পারবে। এটি করে কেউ নিজে ফ্রিল্যান্স কাজও করতে পারবে অথবা কোন ফার্ম-এ ও চাকরী করতে পারে ।

৩. গ্রাফিক্স ডিজাইনিং

বর্তমানে অ্যাড মিডিয়ার যুগে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং-এর চাহিদা উত্তরত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে রাত্রে শুতে যাত্তয়ার আগে পর্যন্ত সব কিছুর মধ্যেই গ্রাফিক্স অস্ত নিহিত। সুতরাং এটির একটি বিশাল বাজার তৈরী হয়েছে তা অংসর বলার অপেক্ষা থাকে না।আর গ্রাফিক্স ডিজাইনিং মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক উভয় যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী করতে পারে আর এতে যদি কেউ ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে পারে তাহলে সে কোন  অ্যাড এজেন্সিতে  কাজ করতে পারে অথবা নিজে ফ্রিল্যান্সার ডিজাইনার হিসেবেও কাজ করতে পারে।

৪. ওয়েব ডিজাইনিং

বর্তমানে এই ডিজিটালাইসিং দুনিয়ার ওয়েব ডিজাইনিং এর চাহিদা একেবারে পারদ ছাড়িয়েছে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে সবই প্রায় অনলাইন। আর এই অনলাইনের যুগে ওয়েব ডিজাইনার-এর চাহিদা ও উত্তরত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই কোর্সটি উচ্চমাধ্যমিক পাশ থাকলেই করে নেওয়া যেতে পারে। আর এই বিষয় যদি একটু দক্ষতা অর্জন করতে পারে তাহলে যে কোন ওয়েব কোম্পানিতে তার চাকরী বাঁধা। এছাড়াও বর্তমানে কেউ যদি মনে করে নিজেও ফার্ম খুলে ফেলতে পারে। এখানে ইনভেস্ট বলতে একটি কম্পিউটারও একটি ইন্টারনেট কানেকশন৷ এক্ষেত্রে প্রশিক্ষন নেওয়ার স্থান একটু যাচাই করে নির্ধারণ করাটাই শ্রেয়।

৫. ভিডিও এডিটিং

যদি কারোর মধ্যে ক্রিয়েটিভ সত্তা যাকে তাহলে মাধ্যমিক হোক বা উচ্চমাধ্যমিক ভিডিও এডিটিং-এর একটি প্রফেশনাল কোর্স করেই অতি সহজে মাসে মোটা টাকা রোজগার করা সম্ভব। বর্তমানে ইউটিউব ও ওয়েডিং ভিডিও মেকিং-এর চাহিদা বা্রার সঙ্গে সঙ্গে ভিডিও এডিটর-দের ও বাজার উঠেছে। তাই কেউ যদি মনে করে সটিক প্রফিক্ষন নিয়ে এডিটের ফ্রিলাসিং ও করতে পারে ।

    [যদি প্রতিবেদনটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার কমেন্ট ও লাইক করতে ভুলবেন না।]

5 thoughts on “উচ্ছ -মাধ্যমিক বা মাধ্যমিক-এই শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে কী ভাবে গড়বে কম্পিউটার জগৎ-এ নিজের কোরিয়ার..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *