বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সাফল্য, জানা গেল মৃত্যুর গতি।

আমরা এর আগে বহু প্রবন্ধ, কবিতায় পড়েছি মৃত্যু শরীরে আসে ধীরগতিতে। অর্থাৎ মৃত্যু ধীরে ধীরে গ্রাস করে মানব দেহকে।.

এই ধারণা যে শুধু কবির কল্পনায়। বাস্তবের সাথে তার কোন মিল নেই তা প্রমাণ করে দিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের দুইজন বৈজ্ঞানিক।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম “মিররের” এর প্রতিবেদনে প্রকাশ করে যে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জন বৈজ্ঞানিক জেমস ফেরেল ও জিয়ন রুই সং দীর্ঘদিন গবেষণা করে জানান মানবদেহে যখন মৃত্যু তরঙ্গ প্রবেশ করে তখন তা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে দেহের সব কোষগুলিকে মারতে থাকে এবং যার গতি আলোকের গতির প্রায় কাছাকাছি।এবং শরীরের সমস্ত কোষ যতক্ষণ না নষ্ট হয় এই গতি এ কিভাবে বজায় থাকে।

গবেষকরা ব্যাঙের ডিম নিয়ে এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়।কারণ এর কোষগুলি যেহেতু বৃহদাকৃতির তাই খালি চোখে সহজেই তা দেখা যায়।আণবিক স্তরে ডিমের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখায় এই ডেট সিগন্যাল কতটা দ্রুত গতিতে কাজ করে।এবং এই হয়েভ কে তারা “টিগার হয়েভ” নাম দিয়েছে।

এই গবেষণায় সারা বিশ্বে ঝড় তুলে দিয়েছে।এর ফলে ক্যান্সার নির্ণয়ের প্রকৃত পদ্ধতি জানা যাবে এবং দ্রুততার সাথে তা নির্ণয় করা যাবে।

    [যদি প্রতিবেদনটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার কমেন্ট ও লাইক করতে ভুলবেন না।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *