মাধ্যমিক প্রশ্নপত্র দায়িত্ব আর প্রধান শিক্ষকের নয়।

    The question of secondary examination is not the responsibility of the head teacher

        অন্যান্য বছরের থেকে এবছর মধ্যশিক্ষা পর্ষদ আরো কড়াকড়ি,কারণ “ময়নাগুড়ির” কান্ড।গত মাধ্যমিক পরীক্ষায় ময়নাগুড়ি স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার জেরে নড়েচড়ে বসেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
        এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কোন প্রধান শিক্ষকের রুমে রাখা হবে না। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবারে সরাসরি পরীক্ষার হলে থানা থেকে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দেয়া হবে।
        এতদিন ধরে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে ছোট ছোট প্যাকেটে করে প্রশ্ন ট্রেজারি বা থানাতে চলে যেত। তারপর সেখান থেকে স্ট্রং রুম মানে প্রতিটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের জিম্মায় তার ঘরেই রাখা হতো।তাও আবার পরীক্ষার বেশ খানিকক্ষণ আগে।কিন্তু ময়নাগুড়ির প্রশ্নপত্র ফাঁসে জেরে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ প্রধান শিক্ষকদের ক্ষমতা অনেকটাই খর্ব করে দিয়েছে।
        মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবারের আর স্ট্রং রুম বলে কিছুই রাখবে না।থানা বা ট্রেজারি কাছে প্রশ্নপত্র যাবে এবং সেখান থেকে পরীক্ষার কিছুক্ষণ আগে মানে প্রায় সাড়ে 11 টার পর সরাসরি পুলিশের দ্বারা প্রত্যেক ক্লাসরুমে পৌঁছবে প্রশ্নপত্র,মানে পুরো দায়িত্বটা নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
        এই প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার জন্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদ বিগত বছরগুলিতে প্রযুক্তির সাহায্য ও নিয়েছিল।মানে একটি বিশেষ ধরনের ছবি দিয়েই প্রশ্নপত্র গুলি প্যাকেট করা হতো।নির্ধারিত সময়ের আগে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুললে তার বার্তা চলে যেত মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এর কাছে।কিন্তু বিগত বছরের ময়নাগুড়ির ঘটনা সেই প্রযুক্তিকেও বুড়ো আঙ্গুল দেখালো।
        এখন দেখার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের এই কড়াকড়ি পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়
        [যদি প্রতিবেদনটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার কমেন্ট ও লাইক করতে ভুলবেন না।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *