নিজেই আমফানে ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করবেন, আগামিকালই বাংলায় প্রধানমন্ত্রী

আমফানে বিধ্বস্ত বাংলার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামিকাল, শুক্রবারই তাঁর বিমান অবতরণ করবে রাজ্যের মাটিতে। প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর। এর পাশাপাশি নিজেও আকাশপথে পরিস্থিতি দেখতে পারেন। শোনা যাচ্ছে, হেলিকপ্টার বিপর্যস্ত এলাকায় যেতে পারলে দমদমেই রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বলে রাখি, এদিনই অমিত শাহকে ফোনে প্রধানমন্ত্রীকে রাজ্যে আসার জন্য অনুরোধ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আমফানের তাণ্ডবে রাজ্যের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নিতে এদিন দুপুরে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেছিলেন অমিত শাহ। ফোনালাপেই মোদীকে পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি দেখে যাওয়ার আমন্ত্রণ দেন মমতা। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ”প্রধানমন্ত্রীকে আসতে অনুরোধ করেছি। সুন্দরবন ও সংলগ্ন এলাকায় এসে দেখে যান।”   

তার আগে প্রধানমন্ত্রীও  টুইটারে জানান,ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকায় কাজ করছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করছেন শীর্ষ আধিকারিকরা। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। সাধারণকে সহযোগিতার পথে চেষ্টার কোনও খামতি থাকবে না।   

দিলীপ ঘোষ বলেন,”আমরাও খবর পেয়েছি কাল আসছেন প্রধানমন্ত্রী। এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে জানতে পারিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবেদন করেছিলেন। সাড়া দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এতেই বোঝা যায়, কতটা মানবিক। বসিরহাট যেতে পারেন। হেলিকপ্টারে সম্ভবত পর্যালোচনা করবেন। বিস্তারিত পরে জানতে পারব।”

মমতার ডাকেই কি সাড়া? বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়,”প্রধানমন্ত্রী অনেক এগিয়ে চিন্তাভাবনা করে। ৮ মে রেসিডেন্স কমিশনারকে চিঠি লিখে এই ধরনের ঝড়ের মোকাবিলার প্রস্তুতি জানতে চেয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সব ক্ষেত্রেই আগাম চিন্তাভাবনা করেন। অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকেন। আমরা তো দেখছি, ঝড়ের পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও কলকাতা সচল হল না।” 

[যদি প্রতিবেদনটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার কমেন্ট ও লাইক করতে ভুলবেন না।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *