২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সিদ্ধান্ত বদল! রাজ্যে সরকারের টাকা নেওয়া হবে না, জানাল মিনিবাস অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন

#কলকাতা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মত বদল। রাজ্যের দিতে চাওয়া ১৫ হাজার টাকা নেবে না বলে জানাল পশ্চিমবঙ্গ মিনিবাস অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন। তাদের দাবি বাস চালিয়ে যেখানে খরচ ৬৫০০ টাকা। টিকিট বিক্রি করে আসছে ৩২০০ টাকা। ফলে ক্ষতি হচ্ছে ৩৩০০ টাকা। রাজ্য সরকার থেকে দৈনিক মিলবে ৫০০ টাকা। তাহলে ক্ষতির পরিমাণ হবে ২৮০০ টাকা।

সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বোস জানাচ্ছেন, “এই ভাবে প্রতিদিন এত টাকা ক্ষতি করে বাস চালানো মালিকদের পক্ষে আর সম্ভব নয়।” তাদের দাবি  যাত্রীদের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা আছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকে সংগঠন বাস চালাতে বন্ধ করতে বলবে না। তবে ধীরে ধীরে বাস মালিকরা আর বাস চালাতে পারবেন না বলেই দাবি এই সংগঠনের।

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন প্রায় ৬০০০ বেসরকারি বাসকে আগামী ৩ মাস দেওয়া হবে ১৫০০০ টাকা করে ভর্তুকি। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তে গতকালই উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিনও জানিয়েছেন, “এভাবে চলতে পারেনা ৷ বাস মালিকদের তো আর গৌরি সেন নেই। সরকারকে বুঝতে হবে বিষয়টা। না বুঝলে বাস চালানো যাবে না।”

প্রসঙ্গত আগামিকাল জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেট তাদের সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে একটা বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে তারা তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। তবে বিভিন্ন রুটের বাস কর্মীরা বলছেন মাসে ১৫০০০ টাকা পেলেও তাদের ক্ষতি কেউ আটকাতে পারবে না। ফলে তাদের যুক্তি সরকার ভরতুকি না দিয়ে বাসের ভাড়া বাড়াক। পরিবহণ দফতর সূত্রে খবর, আগামী সোমবার রাজ্য সরকারের বাস নিয়ে বৈঠক আছে। সেখানে পরিবহণ মন্ত্রী, পরিবহণ সচিব সহ বাকিদের উপস্থিত থাকার কথা। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা, কোন ৬০০০ বাস টাকা পাবে। টাকা হাতে পাওয়ার পরে তাদের বাস চালানো হবে কি করে। সেক্ষেত্রে কতগুলো ট্রিপ তাদের বাসে করতে হবে। এই যাবতীয় বিষয় নিয়ে তাদের আলোচনা হবার কথা। তবে দুই সংগঠন ভর্তুকির টাকা নিতে অস্বীকার করায় আদৌ ৬০০০ বাস রাস্তায় নামবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

আরও পড়ুন:নেটদুনিয়ায় ঝড় তুললেন ঝুমা বৌদি ওরফে মোনালিসা, মুহূর্তেই ভাইরাল দৃশ্য

[যদি প্রতিবেদনটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার কমেন্ট ও লাইক করতে ভুলবেন না।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *